নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই রাজপথে চলছে গণপরিবহন

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে গণপরিবহন চালুর সরকারি ঘোষণা থাকলেও বুধবার থেকেই চালু গেছে। শুধু আন্তঃজেলা গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত থাকলেও চালকরা বুধবার রাত থেকেই কিছু দূরপাল্লার গণপরিবহনও চালু করে দিয়েছেন। রাজধানীর কয়েকটি বাস টার্মিনালে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। কাউন্টার থেকেও যাত্রীদের বলা হয়েছে, বুধবার রাত ১০টার পর যানবাহন চলবে।

 

বুধবার রাতেই অনেক বাস বিভিন্ন টার্মিনাল থেকে ছেড়ে গেছে। যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া। কারণ হিসেবে যাত্রীদের বলা হয়েছে, পথে পুলিশকে ম্যানেজ করতে হবে। এজন্য কিছু বাড়তি ভাড়া দিতে হবে। অবশ্য যাত্রীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম। অপেক্ষাকৃত অখ্যাত কোম্পানির কিছু বাস যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করেছে। তবে পরিচিত কোনো পরিবহন কোম্পানির বাস চলেনি।

 

এদিকে বুধবারও রাজধানীতে কার্যত কোনো লকডাউন ছিল না। উত্তরা থেকে সদরঘাট, গাবতলী থেকে সায়েদাবাদ- রাজধানীর সর্বত্রই ছিল একই চিত্র। নগরবাসী যার যার প্রয়োজন মতো বাইরে বের হয়েছেন। কাজ সেরেছেন। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের চিত্র ছিল অনেক ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও তেমন কোনো তৎপরতা ছিল না।

 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে রাজপথে দেখা গেছে যানবাহনের ভিড়। প্রতিটি ক্রসিংয়েই ছিল গাড়ির লম্বা সারি। লকডাউনের প্রথম দিনগুলোতে কিছু পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্ট থাকলেও বুধবার সে চিত্রও ছিল না। ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরবাইক, পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, এমনকি অ্যাম্বুলেন্সে করেও মানুষ বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করেছে।