মারা গেলেন ‘তিতলি’ খ্যাত অভিনেতা ললিত বহেল

মারা গেলেন ‘তিতলি’ খ্যাত অভিনেতা ললিত বহেল। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে একাত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করলেন অভিনেতা। ‘তিতলি’ ছবির পরিচালক কানু বহেলর বাবা ছিলেন ললিত। বাবার মৃত্যুর খবর তিনি নিজের টুইটারে শেয়ার করেন।


তিনি জানান শুক্রবার বাবার হৃদরোগের সমস্যা ছিলই এবং কোভিড আক্রান্ত হয়ে তাঁর শারীরিক সুস্থতা আরও কঠিন হয়ে ওঠে।


ললিত বহেলের ছেলে কানু পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলে সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছিল, “বিকেলে বাবার মৃত্যু হয়েছে। তার হৃদরোগের একটি ইতিহাস ছিল এবং তার উপর কোভিড ছিল, তাই এটি জটিল হয়ে ওঠে। কোভিড আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


প্রিয় সহকর্মীর মৃত্যুতে সায়নী গুপ্তা, রণবীর শোরে, আদিল হুসেনের মতো তারকারা শোকপ্রকাশ করেছেন। মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে অভিনেতা আদিল হুসেন লিখেছেন, ‘আমার এক অতি প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় সহঅভিনেতা ললিত বহেলজি-র মৃত্যুতে খুবই শোকাহত। ‘মুক্তি ভবন’ সিনেমায় তার মতো বাবার চরিত্রে কে করতে পারবেন! আমার মনে হচ্ছে আবার আমার বাবাকে হারিয়েছি! প্রিয় কানু তোমার অপূরণীয় ক্ষতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি!’


মঞ্চে অভিনয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন লোলিত বহেল। পাঞ্জাবে ‘কাপুরথালা’ নামে একটি মঞ্চ দল গঠন করেন। দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সিনেমা পরিচালনা ও প্রযোজনা শুরু করেন। দুরদর্শনের জন্য ‘আতিশ’, ‘তাপিস’, ‘সুহনেরি জিল্দ’, ‘হ্যাপি বার্থডে’ টেলি-সিনেমাগুলো নির্মাণ করেন। এছাড়া ‘মহাসংগ্রাম’, ‘আফসানে’, ‘বেদ ব্যাস’ সহ বিভিন্ন টিভি শো পরিচালনা করেছেন লোলিত। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ ‘মুক্তি ভবন’, ‘তিতলি’, ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’ প্রভৃতি।