মঙ্গলের মাটি ছুঁল নাসার হেলিকপ্টার

নির্ধারিত সময়ের আগেই মঙ্গলের মাটি ছুঁল
নাসার পাঠানো হেলিকপ্টার। ছবি পোস্ট করে নিশ্চিত করল নাসা (NASA)। ‘ইনজেনুয়িটি’ (Ingenuity)
নামক ঐ হেলিকপ্টার মঙ্গলে নাসার পাঠানো রোভার পারসেভেব়্যান্সের পেটের ভিতর ছিল। মঙ্গলের
অজানা দিকগুলি ঘুরে দেখতেই এই আকাশযানকে পাঠানো হয়েছে।
নাসার জেট প্রপিউলেশন ল্যাবরেটরির তরফে
শনিবার টুইট করে জানানো হয়েছে প্রায় ২৯৩ মিলিয়ন মাইল (৪৭১ মিলিয়ন কিমি ) যাত্রা করে
নাসার পারসেভেব়্যান্স (Perseverence) রোভার রবিবার তার পেট থেকে ৪ ইঞ্চি (১০ সেমি)
নীচে ড্রপ করে তার যাত্রা শেষ করেছে।
১১ এপ্রিল অবতরণের কথা থাকলেও সময়ের আগেই
মঙ্গলের (Mars) মাটি ছুঁয়েছে ইনজেনুয়িটি। পৃথিবীর মাটির চেয়ে মঙ্গলের মাটিতে উড়ে যাওয়া
অনেক বেশি কঠিন। এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এছাড়া এর বায়ুমণ্ডল
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মাত্র ১ শতাংশ।
পৃথিবীর তুলনায় মঙ্গলে প্রায় অর্ধেক পরিমাণ
সৌরশক্তি প্রাপ্ত হয়। রাতের তাপমাত্রা মাইনাস ১৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা মাইনাস ৯০ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে পৌঁছয়। যদিও এর মধ্যে থাকা হিটার ৪৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় রাখলেও
মঙ্গলের রাতের তাপমাত্রা নিয়ে চিন্তার কারণ রয়েছে।
মঙ্গলের পরিবেশে ওড়ার জন্য এই হেলিকপ্টারকে
অবশ্যই হালকা ওজনের হতে হবে। মঙ্গলের রাতের তাপমাত্রায় যান্ত্রিক গোলযোগ যাতে না হয়
তার জন্য এর ভিতরে থাকা হিটারেও এনার্জি থাকতে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে নাসার বিজ্ঞানীরা পৃথিবী
ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে তাদের রোটরক্র্যাফট বা ড্রোন হেলিকপ্টার পাঠায়নি। যদি ইনজেনুয়িটির
পরীক্ষামূলক অভিযান সফল হয় তবে আগামিদিনেও অন্যান্য গ্রহে পরীক্ষা চালানোর জন্য যান
পাঠাবে নাসা।








