নগদ লভ্যাংশ পাঠিয়েছে রেনাটা পিএলসি

২০২৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনারস (বিও) অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেনাটা পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রাপ্ত
তথ্যমতে, কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন, ২০২৪
সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য
৯২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি
আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ টাকা ৫৩
পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৪
তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৯৫ টাকা ৫৬
পয়সা। এছাড়া এ হিসাববছরে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস)
হয়েছে ১৮ টাকা ১৬
পয়সা। ২০২৩ সালের ৩০
জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ৬২ দশমিক ৫০
শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি
আয় হয়েছে ২০ টাকা ৪০
পয়সা। ৩০ জুন, ২০২৩
তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৬৬ টাকা ৮৭
পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস)
হয়েছে ১৮ টাকা ১৮
পয়সা।
এর আগের বছরে অর্থাৎ
২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত
হিসাববছরে কোম্পানিটি ১৪০ শতাংশ নগদ
৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি
আয় হয়েছে ৪৭ টাকা ৬৮
পয়সা। ৩০ জুন, ২০২২
তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৭৪ টাকা ৩৯
পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস)
হয়েছে ২৮ টাকা ০৭
পয়সা। ২০২১ সালের ৩০
জুন সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১৪৫ শতাংশ নগদ
এবং ১০ শতাংশ বোনাস
লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি
আয় হয়েছে ৫১ টাকা ৯৪
পয়সা। ৩০ জুন, ২০২১
তারিখে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি)
দাঁড়িয়েছে ২৬৩ টাকা ৮৫
পয়সা। এছাড়া এই হিসাববছরে কোম্পানিটির
শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস)
হয়েছে ৪৪ টাকা ৩৪
পয়সা।
এদিকে
চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০২৪) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে
৫ টাকা ১৯ পয়সা,
যা আগের বছর একই
সময় ছিল ৮ টাকা
৮৯ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় ৩ টাকা
৭০ পয়সা কমেছে। এছাড়া
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে শেয়ারপ্রতি
নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩০০ টাকা ৯৫
পয়সা। প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে
৪ পয়সা (ঘাটতি), যা আগের বছর
একই সময় ৮ টাকা
৮০ পয়সা ছিল।
এদিকে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রিস্পেরিডোনের প্রথম চালান পাঠিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেনাটা পিএলসি। রেনাটার ইউএস এফডিএ অনুমোদিত
পদ্ধতিতে তৈরি স্পিরিড নামে
বাজারজাতকারী ওষুধটি দেশে মানসিক রোগের
চিকিৎসার জন্য ব্যাপক খ্যাতি
অর্জন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে পাঠানো এ শিপমেন্টে ওষুধটির
০.২৫ মিলিগ্রাম, ০.৫ মিলিগ্রাম এবং
এক মিলিগ্রাম পরিমাণের এক কোটি ২০
লাখ ট্যাবলেট রয়েছে, যা সিজোফ্রোনিয়া, বাইপোলার
ডিসঅর্ডার এবং অটিজম-সম্পর্কিত
চিকিৎসার জন্য ব্যবহূত হয়।
‘এ’
ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে
তালিকাভুক্ত হয়। ২৮৫ কোটি
টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯
লাখ ৬০ হাজার টাকা।
রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ২৭২
কোটি ১৪ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির ১১ কোটি ৪৬
লাখ ৯৬ হাজার ৪৯০
শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে
উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে
৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক
বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক
৯০ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১ দশমিক
১৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের
কাছে রয়েছে ৬ দশমিক ৬৩
শতাংশ শেয়ার।








